চট্টগ্রামে বাংলাদেশ রেলওয়ের এক স্থায়ী কর্মচারীর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগকে মিথ্যা দাবি করে প্রতিবাদ জানিয়েছেন ভুক্তভোগী মো. আবদুল বারিক। তিনি অভিযোগ করেন, তদন্তে দোষ প্রমাণিত না হলেও তাকে দুই দফায় বদলি করা হয়েছে।
ভুক্তভোগীর তথ্য অনুযায়ী, গত ২৫ ফেব্রুয়ারি চিনকি আস্তানা এলাকায় কর্মরত অস্থায়ী গেটকিপার (টিএলআর) সিমলা বিভাগীয় প্রকৌশলী-১, বাংলাদেশ রেলওয়ে, চট্টগ্রাম বরাবর লিখিত অভিযোগ দেন। এতে আবদুল বারিকের বিরুদ্ধে কু-প্রস্তাব, মামলা দিয়ে হুমকি এবং ব্যক্তিগত বিষয়ে জড়িত থাকার অভিযোগ আনা হয়। একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার নাম জড়িয়ে একটি পোস্ট ছড়িয়ে পড়ে।
এ ঘটনায় একটি অনলাইন রেলওয়ে বিষয়ক পোর্টালে তার বক্তব্য না নিয়েই একপাক্ষিক সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন বারিক, যা তার সম্মানহানির কারণ হয়েছে বলে দাবি তার।
নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করে তিনি জানান, একই কর্মস্থলে থাকার সুবাদে অভিযোগকারী সিমলা তার পারিবারিক সমস্যা তার ও তার স্ত্রীর সঙ্গে ভাগাভাগি করতেন। তিনি দাবি করেন, তারা ওই দম্পতির বিরোধ মীমাংসার চেষ্টা করলেও পরবর্তীতে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন। এরপরই তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার শুরু হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।
ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ৩ মার্চ বিভাগীয় প্রকৌশলী-১ একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। তদন্তে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের জবানবন্দি নেওয়া হয়। তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, গেট ঘরে সিসিটিভি স্থাপন সংশ্লিষ্ট অস্থায়ী কর্মীদের সম্মতিতেই হয়েছিল এবং এতে আবদুল বারিকের সম্পৃক্ততার প্রমাণ মেলেনি।
তবে এসবের পরও অভিযোগ ও সংবাদ প্রকাশের প্রেক্ষাপটে এবং বিভিন্ন মহলের চাপের কারণে তাকে দুই দফায় বদলি করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। প্রথম বদলির আদেশ জারি হয় ২৪ মার্চ এবং দ্বিতীয়টি ২৯ মার্চ।
ভুক্তভোগীর দাবি, যথাযথ যাচাই ছাড়া অভিযোগ উত্থাপন ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের ফলে তার পেশাগত ও ব্যক্তিগত সুনাম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিনি জানান, তার কাছে সংরক্ষিত বিভিন্ন প্রমাণ রয়েছে, যা তার নির্দোষিতা তুলে ধরে।
