লক্ষ্মীপুরে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে বিভিন্ন কেন্দ্রে বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষ, হামলা ও ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনায় অন্তত ১২ জন আহত হয়েছেন। ভোটগ্রহণ আজ বৃহস্পতিবার জেলার চারটি আসনের ৪৯৬টি কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সকাল সাড়ে ৭টার দিকে লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর) আসনের ধানের শীষের প্রার্থী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং জামায়াতের প্রার্থী রেজাউল করিম নির্বাচনী কেন্দ্র পরিদর্শন করেন। এ সময় তারা ভোট কেন্দ্রের পরিস্থিতি ও ভোটারদের উপস্থিতি নিয়ে কুশল বিনিময় করেন।
তবে নির্বাচনের দিন ঘটেছে কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা। রাতের এক ঘটনায় স্থানীয় জামায়াত নেতার বাড়িতে খাবার খাওয়ায় সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার এমএ ওসমানি ও পোলিং অফিসার মো. ইকবাল হোসেনকে আটক করা হয়। পরে তাদের চন্দ্রগঞ্জ থানা পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়।
ভোটকেন্দ্রে সকালে নারী ভোটারদের উপস্থিতি বেশি থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভোটার উপস্থিতি কিছুটা কমে যায়। এছাড়া বিজয়নগর উচ্চ বিদ্যালয়, পৌর শহর স্মৃতি একাডেমি, আদিলপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও দত্তপাড়া বড়ালিয়া কেন্দ্রে পৃথক হামলা ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। আহত ১২ জনকে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
লক্ষ্মীপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী রেজাউল করিম বলেন, “ক্ষমতার মালিকানা আল্লাহর পক্ষ থেকে। জনগণ যেটা রায় দেবে, আমি তা মেনে নেব।”
বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও একই আসনের প্রার্থী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি বলেন, “দীর্ঘ অপেক্ষার পর সুন্দর পরিবেশে ভোট হয়েছে। দেশের মানুষ ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছে এবং ধানের শীষের গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে।”
