ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হলে দেশের কৃষকদের জন্য ‘কৃষক কার্ড’ ব্যবস্থা চালু করার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে দলীয় ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানে তিনি এ ঘোষণা দেন।
তারেক রহমান বলেন, দেশে কৃষকদের সাধারণত চার শ্রেণিতে ভাগ করা হয়—প্রান্তিক, ক্ষুদ্র, মাঝারি ও বড় কৃষক। সরকারের বিদ্যমান জমির শ্রেণিবিন্যাসের ভিত্তিতেই এ বিভাজন করা হয়েছে। বিএনপি প্রথম ধাপে প্রান্তিক, ক্ষুদ্র ও মাঝারি কৃষকদের আওতায় এনে কৃষক কার্ড বিতরণে অগ্রাধিকার দেবে।
তিনি জানান, বর্তমানে প্রায় দেড় কোটি মানুষ সরাসরি কৃষিকাজের সঙ্গে যুক্ত। পর্যায়ক্রমে তাদের সবার জন্য কৃষক কার্ড চালু করা হবে। এই কার্ডের মাধ্যমে কার কত জমি আছে, কে কোন ফসল উৎপাদন করছেন—এসব তথ্য একটি সমন্বিত ডাটাব্যবস্থায় সংরক্ষণ করা হবে। ফলে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের কৃষি উৎপাদন সম্পর্কিত তথ্য সহজেই জানা যাবে।
বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, কৃষক কার্ডের মাধ্যমে নির্দিষ্ট ফসলের জন্য কৃষকদের সার, কীটনাশক ও অন্যান্য কৃষি উপকরণে সহায়তা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, টানা পাঁচ থেকে সাত বছর এমন সহায়তা পেলে কৃষকরা আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হয়ে উঠবেন। এতে তাদের ব্যক্তিগত ব্যয় কমবে এবং অন্য খাতে বিনিয়োগের সুযোগ বাড়বে।
তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্রের ধারাবাহিক সহায়তা পেলে অনেক কৃষকই ভবিষ্যতে সচ্ছল অবস্থায় পৌঁছাতে পারবেন—এই লক্ষ্যেই কৃষক কার্ড কর্মসূচি নেওয়ার চিন্তা করা হচ্ছে।
