জামালপুর জেলার পাঁচটি সংসদীয় আসনে কম ভোট পাওয়ায় ২৪ জন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। নির্বাচনী বিধি অনুযায়ী নির্ধারিত ন্যূনতম ভোটে পৌঁছাতে ব্যর্থ হওয়ায় বিভিন্ন দলের এসব প্রার্থী এই পরিস্থিতিতে পড়েন।
বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন-এর নিয়ম অনুযায়ী, কোনো আসনে মোট বৈধ ভোটের অন্তত এক-অষ্টমাংশ (১২.৫%) না পেলে প্রার্থীর জামানত রাষ্ট্রের অনুকূলে চলে যায়।
জামালপুর-১: মোট বৈধ ভোট ২,৭৬,৭৫৪। এখানে জামানত হারান আব্দুর রউফ তালুকদার (ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ), রফিকুল ইসলাম (গণ অধিকার পরিষদ) ও ফজলুল হক (জাতীয় পার্টি)।
জামালপুর-২: বৈধ ভোট ১,৬০,১৮১। এখানে জামানত হারান সুলতান মাহমুদ (ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ) এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী অর্ণব ওয়ারেস খান।
জামালপুর-৩: বৈধ ভোট ৩,১৬,১৪৬। জামানত হারান মোহাম্মদ দৌলতুজ্জামান আনছারী (ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ), লিটন মিয়া (গণ অধিকার পরিষদ), মীর সামসুল আলম (জাতীয় পার্টি), ফিদেল নঈম (গণসংহতি আন্দোলন), এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. সাদিকুর রহমান, শিবলুল বারী রাজু ও ফারজানা ফরিদ।
জামালপুর-৪: বৈধ ভোট ১,৯৫,৭৩১। জামানত হারান মো. আলী আকবর (ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ), মো. ইকবাল হোসেন (গণ অধিকার পরিষদ), মো. কবির হাসান (নাগরিক ঐক্য) এবং মো. মাহবুব জামান জুয়েল (বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি)।
জামালপুর-৫: সর্বোচ্চ ৩,২৩,০৫৬ বৈধ ভোট পড়ে। এখানে জামানত হারান আবু সাঈদ মোহাম্মদ সা. আদাত-উল করীম (বাংলাদেশ কংগ্রেস), জাকির হোসেন (গণ অধিকার পরিষদ), মো. আমিন উদ্দিন (জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল), মো. বাবর আলী খান (জাতীয় পার্টি), শেখ মো. আক্কাস আলী (বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি), সৈয়দ ইউনুস আলী (ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ) এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী সৈয়দ ইব্রাহীম আহমদ ও হোছনেয়ারা বেগম।
জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মুহাম্মদ আনোয়ারুল হক জানান, সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে প্রতিটি প্রার্থীকে ৫০ হাজার টাকা জামানত জমা দিতে হয়; নির্ধারিত ভোট না পেলে তা বাজেয়াপ্ত হয়। পুরো ঘটনাগুলো ঘটেছে জামালপুর জেলায়।
