ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রামে বিএনপি প্রার্থীরা ভূমিধস জয় অর্জন করেছেন। ১৬টি সংসদীয় আসনের মধ্যে ১৪টিতে বিশাল ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন তারা। বাকি দুই আসনে জয়ী হয়েছেন জামায়াতের প্রার্থী।
চট্টগ্রামে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১দলীয় জোটের কোনো প্রার্থী তিনটি আসনের একটিতেও জয়ী হতে পারেননি। এছাড়া বিএনপি–জোটের শরিক না থাকায় কিছু আসনে বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থীরাও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড) ও চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনের বিজয়ী প্রার্থীরা ঋণখেলাপের কারণে নির্বাচন কমিশন ফলাফল স্থগীত রেখেছে।
বেসরকারিভাবে চূড়ান্ত ফলাফলে চট্টগ্রাম-১ মীরসরাই আসনে বিএনপির নুরুল আমিন চেয়ারম্যান জয়ী হয়েছেন ১ লাখ ২৮ হাজার ৭৯৯ ভোটে, চট্টগ্রাম-২ ফটিকছড়িতে সরওয়ার আলমগীর পেয়েছেন ১ লাখ ৩৮ হাজার ৫৪৫ ভোট। চট্টগ্রাম-৩ সন্দ্বীপে মোস্তোফা কামাল পাশা ৭৩ হাজার ৩৭ ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন।
চট্টগ্রাম-৪ সীতাকুণ্ডে ধানের শীষ প্রতীকে আসলাম চৌধুরী ১ লাখ ৪২ হাজার ৬৭৪ ভোটে, চট্টগ্রাম-৫ হাটহাজারীতে মীর হেলাল উদ্দিন ১ লাখ ৪৭ হাজার ৫৪ ভোটে জয়ী হয়েছেন। চট্টগ্রাম-৬ থেকে চট্টগ্রাম-১৪ পর্যন্ত বিএনপির অন্যান্য প্রার্থীরাও বড় ব্যবধানে নির্বাচিত হয়েছেন।
চট্টগ্রাম-১৫ সাতকানিয়া-লোহাগাড়ায় এবং চট্টগ্রাম-১৬ বাঁশখালী আসনে জয়ী হয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীরা।
চট্টগ্রামে ফলাফলে স্পষ্ট হয়েছে, বিএনপি এককভাবে ১৪টি আসনে শক্ত অবস্থান তৈরি করেছে, যা জোটশাসিত দলের প্রতিদ্বন্দ্বিতার চেয়ে অনেক শক্তিশালী।
