ইসরাইল ও লেবাননের মধ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই আগামী বৃহস্পতিবার দুই দেশের প্রতিনিধিদের মধ্যে আলোচনা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। তবে এই আলোচনা ঘিরে হিজবুল্লাহর আপত্তি নতুন করে পরিস্থিতিকে জটিল করে তুলেছে।
হিজবুল্লাহ মনে করছে, ইসরাইলের সঙ্গে সরাসরি আলোচনা করা লেবাননের জন্য ‘অপমানজনক’ এবং এটি এক ধরনের একতরফা ছাড়। তাদের মতে, লেবানন সরকারের হাতে পর্যাপ্ত চাপ প্রয়োগের সক্ষমতা নেই এবং ইসরাইল এই সুযোগে হিজবুল্লাহকে নিরস্ত্র করার চেষ্টা করছে।
অন্যদিকে, হিজবুল্লাহ চায় লেবাননের বিষয়টি বৃহত্তর আঞ্চলিক কূটনীতির সঙ্গে যুক্ত হোক, যেখানে ইরানও অন্তর্ভুক্ত থাকবে। তাদের বিশ্বাস, এতে আলোচনায় লেবাননের অবস্থান আরও শক্তিশালী হবে।
পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনায় দ্রুত পদক্ষেপ নিয়েছেন লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন। তিনি আলোচনায় অংশ নিতে একজন প্রতিনিধিকে নিয়োগ দিয়েছেন এবং স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, লেবাননের পক্ষ থেকে কেবল সরকারই আলোচনা করবে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর বৃহস্পতিবার আবারও ইসরাইল ও লেবাননের রাষ্ট্রদূতদের একত্রিত করবে। তবে এসব বৈঠক এখনো আনুষ্ঠানিক শান্তি আলোচনা নয়, বরং প্রাথমিক পর্যায়ের প্রস্তুতিমূলক আলোচনা।
বৈঠকে মূলত শুক্রবার থেকে কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হবে। বর্তমান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ রোববার শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই আলোচনা গুরুত্বপূর্ণ হলেও দুই পক্ষের অবস্থানের পার্থক্য এখনো বড় বাধা হয়ে আছে। ফলে তাৎক্ষণিক কোনো স্থায়ী সমাধান পাওয়া কঠিন হতে পারে।
