ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান বৈঠককে ঘিরে বিশ্বজুড়ে নজর থাকলেও উপসাগরীয় দেশগুলোর জোট জিসিসি (GCC) তাদের নিজস্ব নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক উদ্বেগকে আলোচনায় গুরুত্ব দেওয়ার দাবি জানিয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই যুদ্ধ শুরু হওয়াতেই জিসিসি দেশগুলো চরম অসন্তোষ প্রকাশ করেছিল। তাদের অভিযোগ, সংঘাত শুরুর আগে তাদের সঙ্গে কোনো ধরনের পরামর্শ করা হয়নি, যদিও তারা আগেই সতর্ক করেছিল—যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়লে এর প্রভাব হবে ভয়াবহ।
জিসিসির দৃষ্টিতে, যুদ্ধবিরতি এখনই কার্যকর হলেও স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে মাসের পর মাস সময় লাগতে পারে। তাই তারা চায়, আলোচনায় তাদের নিরাপত্তা উদ্বেগগুলো গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা হোক।
বিশেষ করে, বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি সরবরাহপথ হরমুজ প্রণালি দ্রুত খুলে দেওয়ার দাবি জানিয়েছে তারা। পাশাপাশি, জিসিসির মতে লেবাননকেও অবশ্যই যুদ্ধবিরতির আওতায় আনতে হবে।
এছাড়া জোটটির মধ্যে আশঙ্কা রয়েছে, ইসরাইল এই আলোচনাকে ভণ্ডুল বা বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করতে পারে।
বিশ্লেষকদের ভাষায়, জিসিসির মূল লক্ষ্য হলো—পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করা, হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া এবং জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক করে বৈশ্বিক বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা।
তাদের মতে, এটি শুধু উপসাগরীয় অঞ্চলের বিষয় নয়; বরং বৈশ্বিক অর্থনীতি ও জ্বালানি বাজারের স্থিতিশীলতার সঙ্গে সরাসরি জড়িত।
