আজকের খবর
ads
সারাদেশ

গোমতী নদীর তীরে সূর্যমুখীর স্বর্গরাজ্যে যেতে চাইলে যা জানতে হবে

লেখকঃ আব্দুর রহমান সাঈফ, কুমিল্লা।
অনলাইন ডেস্ক
গোমতী নদীর তীরে সূর্যমুখীর স্বর্গরাজ্যে যেতে চাইলে যা জানতে হবে
ছবি:সংগৃহীত

২১ ফেব্রুয়ারি সকালে আমারও সেদিকে পা বাড়ানোর সুযোগ হলো। কুমিল্লা শহরের শাসনগাছা বাসস্ট্যান্ড থেকে বুড়িং রোডে মাত্র ১০ টাকা অটোরিকশা ভাড়ায় চলে এলাম পালপাড়া গোমতী সেতুর গোড়ায়।

সেতু থেকেই পুব দিকে চাইতে না চাইতেই চোখ চলে যায় গোমতী চরের সূর্যমুখীর হলুদ সাম্রাজ্যে; যেন হাতছানি দিয়ে ডাকছে। আর সেই ডাকে সাড়া দিয়ে প্রতিদিনই ভিড় করছেন শত শত দর্শনার্থী।

কেউ তুলছেন মুগ্ধতা ছড়ানো ফুলের ছবি; ফুলে ফুলে উড়ে বেড়ানো মৌমাছি, প্রিয়জনের ছবিও বাদ যাচ্ছে না। কেউ তুলছেন সেলফি, কেউ বানাচ্ছেন রিল, কেউবা আবার যান্ত্রিক পাখি ড্রোন উড়িয়ে ভিডিও তৈরিতে ব্যস্ত। বিকেল থেকে সন্ধ্যা—সূর্যমুখীর খেত ঘিরে গোমতীর চর হয়ে ওঠে যেন পিকনিকের সরগরম স্পট।

কুমিল্লা ইপিজেড এলাকা থেকে এক বাহনে পুরো পরিবার এসেছে সূর্যমুখীর বাগান দেখতে। তাদের পিছু নিয়ে আমিও নামি গোমতীর চরে। প্রথমে ৩০ টাকার ‘অদৃশ্য’ এক টিকিট কেটে সামনে পা বাড়াই। সঙ্গে ভ্রমণ গাইড হিসেবে পুরো বাগান ঘুরিয়ে দেখার দায়িত্ব নিলেন ফুলচাষি সাব্বির মিয়ার নিকটাত্মীয় আল আমিন। সঙ্গে যোগ দিল ছোট্ট ইমরান। আগত দর্শনার্থীদের কাছে হাওয়াই মিঠাই বিক্রি করে কিছু টাকা আয় করে সে।

খেতের শুরুতেই বাঁশের মাথায় ঝুলছে সতর্কবাণী—ফুল ছিঁড়লে ৫০০ টাকা জরিমানা আর ছবি তুললে ৩০ টাকা। পাশেই আরেকটি সাইনবোর্ডের তথ্য বলছে, ২০২৫ সালের ১৬ নভেম্বর এখানকার ৩৩ শতাংশ জমিতে বোনা হয় ‘আরডিএস ২৭৫’ জাতের সূর্যমুখীর বীজ।

সেই ফুলের টানে মধু সংগ্রহে নেমেছে মৌমাছি, নীল ভোমরার দল। মৌমাছি আর নীল ভোমরা একপ্রকার প্রতিযোগিতা করে উড়ে বেড়াচ্ছে ফুলে ফুলে। ভেবে কূল পাই না, ফুল নাকি নাকি এই পোকামাকড়ের রূপ দেখব!

কালো-হলুদ ডোরাকাটা মৌমাছি। নীল পাখা আর কুচকুচে কালো রঙের নীল ভোমরা। কোনো ভোমরার মাথা আবার হলুদ রঙে ঢাকা, যেন রোদ থেকে বাঁচতে হলুদ ক্যাপ পরে উড়ছে ফুলে ফুলে।

ছবি আর ভিডিও ফুটেজ নিতে ওদের পিছু ছুটতে ছুটতে হয়রান হওয়ার দশা! এতটাই চঞ্চল যে চোখের পলকেই এক ফুল থেকে উড়ে গিয়ে অন্য ফুলে ল্যান্ড করে!

ছোট–বড় অনেক ফুলের মধ্যে সবচেয়ে বড় যে ফুলটা নজরে এল, তার ব্যাস প্রায় এক ফুট! ইমরান এসে ফুলের পাশে দাঁড়ালে তার মাথার চেয়ে দেখি ফুলটাই বেশ বড়! আবার ঘুরতে ঘুরতে এমন ছোট ফুলও সামনে পেলাম, যা ইমরানের হাতের তালুতে এঁটে যায়।

সূর্যমুখী ফুল স্বভাবতই সূর্যের দিকে মুখ করে হেসে ওঠে। তবে ফুল যত বড় হতে থাকে, পাপড়ি মলিন হয়ে আসে, মাঝের বৃত্তাকার অংশে সারি সারি কালচে ধূসর রঙের বীজের উপস্থিতি দৃশ্যমান হতে থাকে।

আর তখন বীজের ভারেই ফুল ক্রমশ নুইয়ে পড়তে থাকে। তত দিন গাছটাও যথেষ্ট মোটা হয়ে সেই ভার বহন করার উপযোগী হয়ে ওঠে।

একই গাছে বিভিন্ন দিকে বিভিন্ন ডাল বের হয়ে আগে-পিছে সেসব ডালেও ফুল আসতে থাকে। একেবারে মাটি ছুঁই ছুঁই ডালেও ফুল এসে মাটির সঙ্গে গড়াগড়ি খায়।

স্বাভাবিক আকৃতির ফুলের পাশাপাশি কিছু ব্যতিক্রম ফুলের দেখাও পেলাম। কোনো ফুল যেন ঠোঁট বাঁকিয়ে ফুটেছে কিংবা পাপেটের মুখ। কোনটা আবার কুচকানো ‘লাভ’ চিহ্নের মতো, কোনটার আবার অর্ধেক ফুটেছে তো বাকিটা ফোটেনি। সব গাছই সারি সারি দাঁড়িয়ে ফুল ফোটালেও কেউ কেউ আবার দলছুট হয়ে পাশের শর্ষেখেতে গিয়ে ফুল ফুটিয়েছে। হয়তো বীজ বপনের সময় একটা বীজ ছিটকে গিয়ে দূরে পড়েছিল, তাই সে দলছুট!

আল আমিন আমাদের ঘুরে ঘুরে দেখাচ্ছিলেন পুরো বাগান। সূর্যমুখীর কলি থেকে শুরু করে বিভিন্ন ধাপে একেবারে পাকা ফুল ও বীজ হওয়া পর্যন্ত যত ধাপ আছে, তিনি একে একে দেখাতে লাগলেন।

এখানে পাশাপাশি তিনটা সূর্যমুখীখেত। একটিতে নির্দিষ্ট দূরত্ব মেনে সারি সারি করে বীজ বপন করা হয়। পাশাপাশি দুটি গাছের মধ্যে যথেষ্ট জায়গা থাকায় গাছগুলো বেশ মোটাসোটা হয়ে উঠেছে। ডালপালা মেলে ফুলে ফুলে পরিপূর্ণ চারপাশ।

অন্য দুটি খেতে ছিটিয়ে বীজ বোনা হয়েছে বলে গাছগুলো খুব ঘন হয়ে উঠেছে। উচ্চতায় আমাদের ছাড়িয়েছে, ফুল নেই—এমন গাছগুলোকে দূর থেকে দেখলে মনে হয় যেন ঢ্যাঁড়সগাছ!

ধাপে ধাপে একসময় সব গাছেই ফুল আসতে থাকবে। ফুল শেষে যখন বীজ পরিপক্ব হতে শুরু করবে, তখন আবার আরেক দুশ্চিন্তা ভর করবে চাষির মাথায়, সেটা হলো পাখির যন্ত্রণা! সূর্যমুখীর বীজ টিয়া পাখির খুব পছন্দ।

তাই টিয়া পাখির হাত থেকে বীজ বাঁচাতে নিতে হবে বিশেষ নিরাপত্তাব্যবস্থা। জানা গেল, লোক রেখে পাখি তাড়ানোর ব্যবস্থা করবেন চাষিরা। অবস্থা আরও বেগতিক দেখলে পুরো সূর্যমুখীর খেতই ঢেকে দেবেন জাল দিয়ে।

কথা হলো কুমিল্লা আদর্শ উপজেলার উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা আবদুল কাদেরের সঙ্গে। তিনি জানান, নদীতে মাটি কাটা বন্ধ করার লক্ষ্যে চরের জায়গা সব চাষের আওতায় আনা হচ্ছে।

ফলে সরকারি বিভিন্ন প্রকল্পের আওতায় প্রতিবছরই এই গোমতীর চরে চাষাবাদ হয়ে আসছে গোল আলু, মিষ্টি আলু, মিষ্টিকুমড়া, ভুট্টা, গম, শর্ষে, মসুর, মাষকলাই, ক্যাপসিকামসহ নানা রকম মৌসুমি শাকসবজি।

কুমিল্লায় টেকসই কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় এবারই প্রথমবারের মতো যোগ হলো সূর্যমুখীর চাষাবাদ। তেল উৎপাদনের লক্ষ্য নিয়ে এবার পাঁচটি প্রদর্শনী প্রকল্প আছে কুমিল্লার পালপাড়া, আমতলাসহ গোমতীর চরের পাঁচটি অংশজুড়ে।

কুমিল্লার পালপাড়া ব্রিজের পাশে আবাদ করেছেন জান্নাতুল ফেরদৌস নামের এক নারী কৃষি উদ্যোক্তা। চাষাবাদ থেকে শুরু করে সার্বিক দেখাশোনা করছেন তাঁর স্বামী সাব্বির মিয়া।

শুরুতে সূর্যমুখীর নতুন এই চাষাবাদ নিয়ে আগ্রহ না থাকলেও আমরা বোঝাতে সক্ষম হই যে হলুদ শর্ষের পাশাপাশি সূর্যমুখী চাষ এই জায়গাকে পিকনিক স্পটের মতো বানিয়ে ফেলবে। ফলে মানুষজন টিকিট কেটে পর্যন্ত ঘুরতে আসবে এখানে। বাস্তবে হলোও ঠিক তা-ই। ৩০ টাকা টিকিট কেটেই ফুলের সৌন্দর্য উপভোগ করতে প্রতিদিনই ভিড় করছেন শত শত দর্শনার্থী। দুপুর গড়িয়ে বিকেল বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ে দর্শনার্থী সংখ্যাও।

আবদুল কাদের আরও জানান, এভাবে একজনের দেখাদেখি অন্যজনও সূর্যমুখী চাষে উৎসাহিত হবে। তেল উৎপাদনের ক্ষেত্রে শর্ষের পাশাপাশি সূর্যমুখী চাষে কৃষকের আগ্রহ বাড়বে।

চাষি সাব্বির মিয়া বলেন, ‘শুরুতে তো আমরা রাজি ছিলাম না। তবে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার উৎসাহে উদ্যোগী হই। একটা আত্মবিশ্বাস ছিল যে নতুন চাষাবাদ হলেও কৃষকের শ্রম আর সেবায় সব ফসলই ফলানো সম্ভব। সেটা সম্ভবও হয়েছে। প্রতিদিন মানুষজন দেখতে আসছে, যেটা আমাদের উৎসাহ আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে।’

তবে একটা সমস্যার কথাও বললেন সাব্বির, ‘ঘুরতে এসে মানুষজন খেতের ক্ষয়ক্ষতি করছেন। তাই বাধ্য হয়ে টিকিটের ব্যবস্থা করতে হয়েছে। এখানে সূর্যমুখীর পাশাপাশি মিষ্টি আলু, সরিষা ও ভুট্টার আবাদও করেছি। কিছু বীজ সারি বেঁধে বুনেছি আর কিছু বীজ ছিটিয়ে বুনেছি। এখন দেখার পালা কোন ফসলে কেমন সাড়া পাই।’

সাব্বির মিয়া জানান, গেল বর্ষার বন্যায় বেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন তিনি। চরের যে জমিতে এখন সূর্যমুখীর হাসি, সেই জমি ছিল বন্যার পানির নিচে। বন্যার পানিতে নিজেদের ফল-ফসল, কলাবাগান—সবই হারিয়ে গিয়েছিল তখন। এখন আবার নতুন করে, নতুন উদ্যমে শুরু করেছেন। বন্যার ক্ষতি পুষিয়ে লাভের মুখ দেখার আশা তাঁর মনে।

যেভাবে যাবেন....
যেদিক থেকেই আসুন, প্রথমে কুমিল্লা শহরের শাসনগাছা বাসস্ট্যান্ডে যান। সেখান থেকে অটোরিকশা বা সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে জনপ্রতি মাত্র ১০ টাকা ভাড়া দিয়ে চলে আসুন গোমতী নদীর পালপাড়া সেতুর গোড়ায়।

সেতু থেকে ডান দিকে চোখ রাখলেই পেয়ে যাবেন সূর্যমুখীর স্বর্গরাজ্যের দেখা। যেহেতু একটি জমি ফুলে পরিপূর্ণ হলেও আরও দুটি জমিতে ফুল আসতে শুরু করেছে মাত্র, তাই বেড়ানোর জন্য হাতে লম্বা সময় পাবেন। ঈদের ছুটিতেও ঘুরে আসার পরিকল্পনা করতে পারেন।

সর্বশেষ

ইরান যুদ্ধে ইসরায়েলের অর্থনীতির ক্ষতি প্রতি সপ্তাহে প্রায় ৯০ কোটি শেকেল

আন্তর্জাতিক

ইরান যুদ্ধে ইসরায়েলের অর্থনীতির ক্ষতি প্রতি সপ্তাহে প্রায় ৯০ কোটি শেকেল
কুমিল্লায় ব্যতিক্রমী গোলাপ প্রদর্শনী, বাহারি রঙের গোলাপে মুগ্ধ দর্শক

জেলা

কুমিল্লায় ব্যতিক্রমী গোলাপ প্রদর্শনী, বাহারি রঙের গোলাপে মুগ্ধ দর্শক
সারাদেশে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি জোরদারের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

জাতীয়

সারাদেশে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি জোরদারের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়স ৪০ করার দাবি

জাতীয়

সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়স ৪০ করার দাবি
চট্টগ্রামে পাঁচ হাজার ইয়াবা উদ্ধার, দুই মাদককারবারি গ্রেপ্তার

জাতীয়

চট্টগ্রামে পাঁচ হাজার ইয়াবা উদ্ধার, দুই মাদককারবারি গ্রেপ্তার
লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় মৃত ১২, আহত ২৩

আন্তর্জাতিক

লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় মৃত ১২, আহত ২৩
৮ প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব বদল, কে কোন দায়িত্বে

জাতীয়

৮ প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব বদল, কে কোন দায়িত্বে
ইরাক আক্রমণ থেকে শিক্ষা, ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ন্যায়ের পথ নয় স্পেন

আন্তর্জাতিক

ইরাক আক্রমণ থেকে শিক্ষা, ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ন্যায়ের পথ নয় স্পেন
কুমিল্লায় গণমাধ্যমে অপসাংবাদিকতা প্রতিরোধে সেমিনার ও কর্মশালা অনুষ্ঠিত

জেলা

কুমিল্লায় গণমাধ্যমে অপসাংবাদিকতা প্রতিরোধে সেমিনার ও কর্মশালা অনুষ্ঠিত
পরিবেশ সুরক্ষায় দেশজুড়ে ২৫ কোটি গাছ রোপণের উদ্যোগ

জাতীয়

পরিবেশ সুরক্ষায় দেশজুড়ে ২৫ কোটি গাছ রোপণের উদ্যোগ
দখলকৃত পশ্চিম তীর থেকে চারজনকে গ্রেফতার

আন্তর্জাতিক

দখলকৃত পশ্চিম তীর থেকে চারজনকে গ্রেফতার
ফেসবুক পেজ থেকে আয় প্রকাশ করলেন এমপি হাসনাত

সোশ্যাল মিডিয়া

ফেসবুক পেজ থেকে আয় প্রকাশ করলেন এমপি হাসনাত
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দুই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

সারাদেশ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দুই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা
কুমিল্লায় কর্মরত সাংবাদিকদের সম্মানে জামায়াতের ইফতার অনুষ্ঠিত

জেলা

কুমিল্লায় কর্মরত সাংবাদিকদের সম্মানে জামায়াতের ইফতার অনুষ্ঠিত
জুলাই সনদ বাস্তবায়নের জন্য রাজপথে নামতে প্রস্তুত আছি : আসিফ মাহমুদ

জেলা

জুলাই সনদ বাস্তবায়নের জন্য রাজপথে নামতে প্রস্তুত আছি : আসিফ মাহমুদ

সর্বাধিক পঠিত

বোয়ালখালীর অপরাধের বাদশা বিড়ালের মতো পালিয়ে গেলেন কানাডায় 

অপরাধ

বোয়ালখালীর অপরাধের বাদশা বিড়ালের মতো পালিয়ে গেলেন কানাডায় 
আজকের খবরে সংবাদ প্রকাশের পর অবশেষে আটক হল বর্মা সাইফুল

চট্টগ্রাম প্রতিদিন

আজকের খবরে সংবাদ প্রকাশের পর অবশেষে আটক হল বর্মা সাইফুল
অনলাইনে আবেদন বাদ সরাসরি এসে সাংবাদিক কার্ড নিতে পারবেন রিপোর্টাররা

জাতীয়

অনলাইনে আবেদন বাদ সরাসরি এসে সাংবাদিক কার্ড নিতে পারবেন রিপোর্টাররা
নতুন গান আঘাত নিয়ে ফিরছেন জনপ্রিয় শিল্পী পারভেজ খান

সোশ্যাল মিডিয়া

নতুন গান আঘাত নিয়ে ফিরছেন জনপ্রিয় শিল্পী পারভেজ খান
চট্টগ্রামে চাঁদাবাজির দৌরাত্ম্য বায়েজিদে আতঙ্কের নাম বর্মা সাইফুল

চট্টগ্রাম প্রতিদিন

চট্টগ্রামে চাঁদাবাজির দৌরাত্ম্য বায়েজিদে আতঙ্কের নাম বর্মা সাইফুল
খুলশী থানার পুলিশের বিরুদ্ধে সাংবাদিক নুরুল আজমকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ

চট্টগ্রাম প্রতিদিন

খুলশী থানার পুলিশের বিরুদ্ধে সাংবাদিক নুরুল আজমকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ
আড়াই লাখে থানার ক্যাশিয়ার অলি: টোকাই থেকে কোটিপতির অপরাধ সাম্রাজ্য

চট্টগ্রাম প্রতিদিন

আড়াই লাখে থানার ক্যাশিয়ার অলি: টোকাই থেকে কোটিপতির অপরাধ সাম্রাজ্য
বন্দর থেকে ফৌজদারহাট পর্যন্ত রিং রোড: দুর্ঘটনা ও নান্দনিক সৌন্দর্যের মেলবন্ধন

চট্টগ্রাম প্রতিদিন

বন্দর থেকে ফৌজদারহাট পর্যন্ত রিং রোড: দুর্ঘটনা ও নান্দনিক সৌন্দর্যের মেলবন্ধন
চট্টগ্রামে প্রকৌশলীর কাছে সাংবাদিকের চাঁদা দাবি, উত্তাল জনমত

চট্টগ্রাম প্রতিদিন

চট্টগ্রামে প্রকৌশলীর কাছে সাংবাদিকের চাঁদা দাবি, উত্তাল জনমত
সরকারি কর্মকর্তাদের প্রতি নুরুল হক নুরের কঠোর বার্তা।

রাজনীতি

সরকারি কর্মকর্তাদের প্রতি নুরুল হক নুরের কঠোর বার্তা।
উত্তরায় র‍্যাবের পোশাক পরে কোটি টাকা ছিনতাই

আইন-আদালত

উত্তরায় র‍্যাবের পোশাক পরে কোটি টাকা ছিনতাই
কথার আগে মানুষ খুনের নেশা ছিন্নমূলের টোকাই ওসমানের

আইন-আদালত

কথার আগে মানুষ খুনের নেশা ছিন্নমূলের টোকাই ওসমানের
দুই সীমান্ত থেকে বিএসএফের জোরপূর্বক ফেরত পাঠানো ২৭ বাংলাদেশি পুলিশের হেফাজতে

জেলা

দুই সীমান্ত থেকে বিএসএফের জোরপূর্বক ফেরত পাঠানো ২৭ বাংলাদেশি পুলিশের হেফাজতে
নিঃশব্দে ঘটছে হত্যাকাণ্ড: জীবন ঝুঁকিতে সাহসী সাংবাদিক

চট্টগ্রাম প্রতিদিন

নিঃশব্দে ঘটছে হত্যাকাণ্ড: জীবন ঝুঁকিতে সাহসী সাংবাদিক
চলে যাওয়ার ২১ বছর পরও অমলিন কৌতুক অভিনেতা দিলদার

বিনোদন

চলে যাওয়ার ২১ বছর পরও অমলিন কৌতুক অভিনেতা দিলদার

সম্পর্কিত খবর

সারাদেশ

গৃহবধূকে শ্বাসরোধে হত্যা, শ্বশুর গ্রেপ্তার।
গৃহবধূকে শ্বাসরোধে হত্যা, শ্বশুর গ্রেপ্তার।

সারাদেশ

চাঁদপুরে সাড়ে চার মণ জেলিযুক্ত চিংড়ি জব্দ।
চাঁদপুরে সাড়ে চার মণ জেলিযুক্ত চিংড়ি জব্দ।

সারাদেশ

বাঘাইছড়িতে দুম্বার মাংস কেলেঙ্কারি! ইউএনও ও প্রেসক্লাবের ভূমিকা সন্দেহের তলে
বাঘাইছড়িতে দুম্বার মাংস কেলেঙ্কারি! ইউএনও ও প্রেসক্লাবের ভূমিকা সন্দেহের তলে

সারাদেশ

বাসে অতিরিক্ত ভাড়া, খোলা ট্রাক-পিকআপে বাড়ি ফিরছে মানুষ
বাসে অতিরিক্ত ভাড়া, খোলা ট্রাক-পিকআপে বাড়ি ফিরছে মানুষ

সারাদেশ

মানবতার ফেরিওয়ালা: রহিমপুরবাসীর প্রিয় নেতা আশরাফুল ইসলাম মেম্বার
মানবতার ফেরিওয়ালা: রহিমপুরবাসীর প্রিয় নেতা আশরাফুল ইসলাম মেম্বার

সারাদেশ

সনদ গ্রহণ করলেন এফবিজেও মহাসচিব সাংবাদিক মোঃ শামছুল আলম।
সনদ গ্রহণ করলেন এফবিজেও মহাসচিব সাংবাদিক মোঃ শামছুল আলম।

সারাদেশ

ঝিকরগাছায় মাদরাসাছাত্রী সোহানা হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন: গ্রেপ্তার ফুফাতো ভাই নয়ন
ঝিকরগাছায় মাদরাসাছাত্রী সোহানা হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন: গ্রেপ্তার ফুফাতো ভাই নয়ন

সারাদেশ

‎বন্ধুত্বের মুখোশে প্রতারণা: প্রবাসী বাংলাদেশির প্রাণনাশের হুমকি!
 ‎বন্ধুত্বের মুখোশে প্রতারণা: প্রবাসী বাংলাদেশির প্রাণনাশের হুমকি!

সারাদেশ

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে যানজট ও ধীরগতির অভিজ্ঞতা: ঈদের যাত্রার চিত্র
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে যানজট ও ধীরগতির অভিজ্ঞতা: ঈদের যাত্রার চিত্র

সারাদেশ

বদলগাছীতে সরকারি পরিপত্র না মেনে ছাগল বিতরণ
বদলগাছীতে সরকারি পরিপত্র না মেনে ছাগল বিতরণ

সারাদেশ

১০ দিন বন্ধ থাকবে সোনাহাট স্থলবন্দর।
১০ দিন বন্ধ থাকবে সোনাহাট স্থলবন্দর।

সারাদেশ

জাম পাড়তে গিয়ে গাছ থেকে পড়ে শিক্ষার্থীর করুণ মৃত্যু
জাম পাড়তে গিয়ে গাছ থেকে পড়ে শিক্ষার্থীর করুণ মৃত্যু

সারাদেশ

দুই ঘণ্টা পর সিলেটের রেল যোগাযোগ পুনরায় শুরু।
দুই ঘণ্টা পর সিলেটের রেল যোগাযোগ পুনরায় শুরু।

সারাদেশ

জুনের পথে ইউনূস, বিএনপির সহযোগিতা ছাড়া আদৌ সম্ভব?
জুনের পথে ইউনূস, বিএনপির সহযোগিতা ছাড়া আদৌ সম্ভব?

সারাদেশ

একই দিনে দুই শহরে একই ব্যক্তির গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনায় দুই মামলা, উঠছে নানা প্রশ্ন
একই দিনে দুই শহরে একই ব্যক্তির গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনায় দুই মামলা, উঠছে নানা প্রশ্ন