আসন্ন রমজানকে সামনে রেখে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের অস্বাভাবিক দাম বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ এবং নিরাপদ–পুষ্টিকর খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে ভোক্তা ও জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলো।
বুধবার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাব–এ আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলন থেকে এসব দাবি তুলে ধরা হয়। যৌথভাবে এ সম্মেলনের আয়োজন করে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা), বিসেফ ফাউন্ডেশন, কনজুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) এবং শিক্ষা স্বাস্থ্য উন্নয়ন কার্যক্রম (শিসউক)।
বক্তারা জানান, দেশে প্রতিদিন প্রায় ৩,৬০০ কোটি টাকার খাদ্যপণ্য ভোগ করা হলেও এর বড় অংশ অনিরাপদ এবং সিন্ডিকেটনির্ভর বাজার ব্যবস্থার কবলে। খাদ্য মূল্যস্ফীতি ৮.৫৮ শতাংশে পৌঁছানোয় সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা কঠিন হয়ে পড়েছে। তারা সতর্ক করেন, দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে জনস্বাস্থ্য ও অর্থনীতি দীর্ঘমেয়াদে ঝুঁকির মুখে পড়বে। একই সঙ্গে ১০টি উচ্চঝুঁকিপূর্ণ কীটনাশক দ্রুত নিষিদ্ধ করার দাবি তোলা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন শিসউক-এর নির্বাহী পরিচালক শাকিউল মিল্লাত মোর্শেদ, বিকশিত বাংলাদেশ ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক আতাউর রহমান মিটন, বাপা’র সাধারণ সম্পাদক মো. আলমগীর কবির এবং বিসেফ ফাউন্ডেশনের সিইও রেজাউল করিম সিদ্দিক।
বিসেফ ফাউন্ডেশনের সহ-সভাপতি ও সাবেক কৃষি সচিব আনোয়ার ফারুক বলেন, রমজান এলেই পরিকল্পিতভাবে কিছু পণ্যের দাম বাড়ানো হয়। কেবল ভ্রাম্যমাণ অভিযান নয়, টেকসই বাজার তদারকি ও কৃষকের সরাসরি বাজারে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা জরুরি।
ক্যাব সভাপতি ও সাবেক সচিব এ. এইচ. এম. সফিকুজ্জামান বলেন, ভোক্তা সুরক্ষায় নাগরিক তদারকি কমিটি গঠন প্রয়োজন। পাশাপাশি বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই)–এর পাশাপাশি আলাদা ‘নিরাপদ খাদ্য’ সিল চালুর প্রস্তাবও দেন তিনি।
