ভারতের সাবেক পেসার চেতন শর্মা দাবি করেছেন, ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসতে পারে পাকিস্তান। তাঁর মতে, এটি সাময়িক রাজনৈতিক অবস্থান, পরে পাকিস্তান ‘ইউ টার্ন’ নেবে।
বিশ্বকাপের নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী ১৫ ফেব্রুয়ারি কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে ভারত–পাকিস্তান ম্যাচ হওয়ার কথা। তবে বাংলাদেশের প্রতি সংহতি জানিয়ে ওই ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্তের কথা পাকিস্তান সরকার সামাজিক মাধ্যমে জানিয়েছে। যদিও পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলকে (আইসিসি) বিষয়টি জানায়নি।
চেতন শর্মার মতে, পুরো বিষয়টি রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের সঙ্গে জড়িত। তিনি বলেন, বাংলাদেশের ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের পর পরিস্থিতি পরিবর্তিত হতে পারে। তাঁর ইঙ্গিত, পাকিস্তানের সেনাপ্রধানও খেলাধুলাকে রাজনীতির বাইরে রাখার আহ্বান জানিয়ে অবস্থান বদলের পরিবেশ তৈরি করতে পারেন।
এক অনুষ্ঠানে চেতন শর্মা বলেন, বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের কোনো দোষ নেই, বিষয়টি পুরোপুরি রাজনীতি নির্ভর। নির্বাচন শেষে পাকিস্তান জনমতের কথা বলে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ খেলতে রাজি হতে পারে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর ভাষ্য, আনুষ্ঠানিকভাবে আইসিসিকে কিছু না জানানো পর্যন্ত এমন ঘোষণা কার্যকর নয়, এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হন ক্রিকেটাররাই।
৬০ বছর বয়সী চেতন শর্মা ভারতের হয়ে ২৩ টেস্টে ৬১টি এবং ৬৫ ওয়ানডেতে ৬৭টি উইকেট নিয়েছেন। ১৯৮৭ বিশ্বকাপে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ানডে বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথম হ্যাটট্রিক করেন তিনি। ২০০৯ সালে তিনি লোকসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন এবং পরবর্তীতে ভারতীয় জনতা পার্টির ক্রীড়া সেলের সঙ্গে যুক্ত হন।
পাকিস্তান সরকারের এক পোস্টে বলা হয়, দলটি ২০২৬ টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নিলেও ১৫ ফেব্রুয়ারি ভারতের বিপক্ষে ম্যাচে মাঠে নামবে না। প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফও মন্ত্রিসভায় বলেন, তারা ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ খেলবেন না, কারণ খেলাধুলায় রাজনীতি থাকা উচিত নয়।
