সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী জানিয়েছেন, শহীদ জিয়াউর রহমানের ‘স্বাধীনতা ঘোষণা’ সংক্রান্ত ঐতিহাসিক স্মৃতিকে চিরস্থায়ীভাবে সংরক্ষণে উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, যাতে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম সঠিক ইতিহাস জানতে পারে।
মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) দুপুরে চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।
তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের ভয়াল রাতে পাকিস্তানি বাহিনীর হামলার পর যখন দেশে অনিশ্চয়তা বিরাজ করছিল, তখন কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দেন, যা মুক্তিযুদ্ধে নতুন গতি সঞ্চার করে এবং জনগণের মধ্যে সাহস জাগিয়ে তোলে।
মন্ত্রী আরও বলেন, এই ঐতিহাসিক ঘটনাটি যথাযথভাবে সংরক্ষণ ও প্রচারের উদ্যোগ নেওয়া হবে। এজন্য কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র ও শহীদ জিয়ার স্মৃতিকে কেন্দ্র করে উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
তিনি জানান, একটি আধুনিক স্মৃতি জাদুঘর স্থাপন, প্রয়োজনে ভাস্কর্য নির্মাণ এবং ঐতিহাসিক সম্প্রচারের সরঞ্জাম সংরক্ষণের বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে। পাশাপাশি দর্শনার্থীদের জন্য সমন্বিত পরিদর্শন ব্যবস্থাও গড়ে তোলা হবে।
নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, জাতির ইতিহাস সংরক্ষণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভাষা আন্দোলন, গণঅভ্যুত্থান এবং মুক্তিযুদ্ধের ধারাবাহিকতায় অর্জিত স্বাধীনতার ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে হবে।
তিনি আরও বলেন, চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে জিয়াউর রহমানের হত্যাকাণ্ড যেমন বেদনাদায়ক অধ্যায়, তেমনি মুক্তিযুদ্ধে তার অবদান জাতির গৌরবের অংশ। এই দুই দিককে সমন্বিতভাবে উপস্থাপনের জন্য কাজ করছে মন্ত্রণালয়।
পরিদর্শনকালে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। পরে তিনি চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে জেলা প্রশাসন ও জিয়া স্মৃতি জাদুঘরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
