মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে সংঘাতের তীব্রতা আরও বেড়েছে। রোববার (১ মার্চ) সকালে কাতারের রাজধানী দোহা নতুন করে একাধিক বিস্ফোরণে প্রকম্পিত হয়েছে। শনিবারের হামলার পর পরিস্থিতি শান্ত হওয়ার আগেই শহরের বিভিন্ন এলাকায় ধারাবাহিক বিস্ফোরণের খবর পাওয়া যায়।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা–এর প্রতিবেদনে প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে জানানো হয়, দোহার গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোর আশপাশে অন্তত ১১টি শক্তিশালী বিস্ফোরণ ঘটেছে।
কাতারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জরুরি বিবৃতিতে জানায়, ইরানের দিক থেকে চালানো হামলায় আরও আটজন গুরুতর আহত হয়েছেন। সব মিলিয়ে আহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৬ জনে। রাজধানীর কয়েকটি স্থাপনায় সীমিত পরিসরে ক্ষয়ক্ষতির তথ্যও নিশ্চিত করা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় উদ্ধার তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।
এদিকে সংঘাতের প্রভাব কেবল কাতারেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। সংযুক্ত আরব আমিরাতের বাণিজ্যিক কেন্দ্র দুবাইয়েও বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, দুবাইয়ের আকাশে একাধিক জোরালো বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া গেছে, যার ফলে জনমনে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে অপ্রয়োজনীয় চলাচল সীমিত রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে, ইসরায়েলের বিভিন্ন শহরেও উত্তেজনা বিরাজ করছে। রাজধানী **তেল আবিব**সহ গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে বিমান হামলার আশঙ্কায় সতর্ক সংকেত বাজানো হয়। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী জানিয়েছে, ইরান থেকে ছোড়া ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করতে তারা ‘আয়রন ডোম’ ও ‘অ্যারো’ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যবহার করছে।
উল্লেখ্য, পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনায় অচলাবস্থার পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার জেরে ইরানের একাধিক প্রদেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এর পাল্টা জবাব হিসেবে ইরানও মধ্যপ্রাচ্যে বিভিন্ন সামরিক স্থাপনায় হামলা অব্যাহত রেখেছে।
