মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চাপের মুখেও কঠোর অবস্থানে রয়েছে ইরান।
দেশটিতে সরকার ঘোষিত প্রায় পূর্ণাঙ্গ ইন্টারনেট বন্ধ অবস্থা দুই মাসের কাছাকাছি পৌঁছালেও, ইরানের কর্মকর্তারা এবং ইসলামি প্রজাতন্ত্রের সমর্থকেরা বলছেন—তারা কোনো ছাড় দেওয়ার পক্ষে নন।
এর মধ্যেই ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানের নেতৃত্বের মধ্যে বিভাজন রয়েছে।
চলতি সপ্তাহের শুরুতে তিনি বলেন, একটি সমঝোতায় পৌঁছাতে তার ‘কোনো তাড়া নেই’।
প্রমাণ ছাড়াই তিনি আরও দাবি করেন, ইরানের নেতারা নিজেদের মধ্যে ‘বিড়াল-কুকুরের মতো লড়াই’ করছেন।
তবে ট্রাম্পের এমন মন্তব্যের পর ইরানের সামরিক, নিরাপত্তা, বিচার বিভাগ ও সরকারি কর্তৃপক্ষ একযোগে অভিন্ন বার্তা প্রচার শুরু করেছে।
রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত এসব বার্তায় প্রায় একই ধরনের ভাষা ব্যবহার করা হচ্ছে।
এমনকি একই ধরনের গ্রাফিক্স ও ফন্ট ব্যবহার করে, শুধু রঙ পরিবর্তন করে প্রচারণা চালানো হচ্ছে।
এসব বার্তায় দাবি করা হচ্ছে, দেশের সবাই ‘বিপ্লবী’ এবং সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির প্রতি ‘পূর্ণ আনুগত্য’ প্রদর্শন করছে।
বিশ্লেষকদের মতে, অভ্যন্তরীণ বিভক্তির অভিযোগকে দুর্বল করতে এবং আন্তর্জাতিক মহলে শক্ত অবস্থান দেখাতে তেহরান এমন সমন্বিত প্রচারণা চালাচ্ছে।
ইন্টারনেট সীমিত থাকার কারণে দেশটির ভেতরের বাস্তব পরিস্থিতি যাচাই করাও কঠিন হয়ে পড়েছে।
