নবনির্বাচিত স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারকে অভিনন্দন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে তারা আর কোনো নির্দিষ্ট দলের প্রতিনিধি নন; বরং পুরো জাতীয় সংসদের অভিভাবক। তিনি বলেন, দীর্ঘ দেড় দশকেরও বেশি সময় ধরে জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার খর্ব করে সংসদকে এমন এক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা হয়েছিল যেখানে অধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ ছিল। তবে বর্তমান সংসদ সরাসরি জনগণের ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে গঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচনের পর শুভেচ্ছা বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, গত দেড় দশকে যারা নিজেদের সংসদ সদস্য হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন, তারা জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত ছিলেন না। এখন দেশের স্বাধীনতাপ্রিয় ও গণতন্ত্রমনা মানুষ নতুন এই সংসদের দিকে আশা নিয়ে তাকিয়ে আছে। দেশের স্বার্থে সংসদকে কার্যকর ও অর্থবহ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।
সংসদীয় গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে সরকার ও বিরোধী দলের যৌথ ভূমিকার ওপর গুরুত্ব দিয়ে সরকারপ্রধান বলেন, কেবল বিরোধিতার জন্য বিরোধিতা নয়; বরং যুক্তিনির্ভর ও গঠনমূলক আলোচনার মাধ্যমে সংসদকে প্রাণবন্ত করে তুলতে হবে। সংসদ পরিচালনায় স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের ভূমিকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলেও উল্লেখ করেন তিনি এবং সরকারের পক্ষ থেকে পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
স্পিকারের উদ্দেশ্যে তিনি আরও বলেন, এখন থেকে সংসদের প্রতিটি সদস্যকে সমান দৃষ্টিতে দেখতে হবে। জনগণের হারিয়ে যাওয়া অধিকার পুনরুদ্ধার করে জাতীয় সংসদকে কার্যকর ও শক্তিশালী প্রতিষ্ঠানে পরিণত করার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।
