তরুণ নেতৃত্বাধীন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) তাদের নির্বাচনী জোটকে রাজনৈতিক জোটে রূপান্তর করার দিকেই এগোচ্ছে। যদিও শীর্ষ নেতারা এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে মন্তব্য করেননি, দলের অভ্যন্তরীণ সূত্র বলছে, সংসদ ও সংসদীয় বাইরে জামায়াতের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করার পরিকল্পনা রয়েছে।
এনসিপির নেতারা মনে করছেন, এটি শক্তিশালী বিরোধী দল গঠনে সহায়ক হবে এবং জুলাই সনদের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ সাংবিধানিক সংস্কার উদ্যোগ এগিয়ে নিতে সহায়তা করবে। দলের নির্বাচনী জোটে নাহিদ ইসলামের সংসদে বিরোধী দলের প্রধান হুইপ হিসেবে নির্বাচিত হওয়া এনসিপি–জামায়াতের যৌথ কার্যক্রমের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
দলের নির্বাচন ব্যবস্থাপনা কমিটির সচিব মনিরা শারমিন জানান, জোটের মূল লক্ষ্য হলো সংস্কারমূলক কার্যক্রম এবং নির্বাচনের সঙ্গে সম্পর্কিত উদ্যোগে যৌথভাবে কাজ করা। স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এনসিপি জামায়াতের সমর্থন নাও নিতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।
এনসিপি সদস্য-সচিব আখতার হোসেন বলেন, ‘নির্বাচনকেন্দ্রিক জোটের প্রেক্ষাপট এখনও চূড়ান্ত নয়। দেশে জোট রাজনীতি স্বাভাবিক এবং প্রতিটি দলের নিজস্ব আদর্শ ও কর্মী বাহিনী রয়েছে। আমরা আমাদের পরিকল্পনা অনুযায়ী চলব এবং শাপলা কলি প্রতীকের প্রচার অব্যাহত রাখব।’
এদিকে ২০২৫ সালের নির্বাচনে জোটে যোগ দেওয়ার পর কিছু নেতা-কর্মী এনসিপি ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেন। নাহিদ ইসলাম জানিয়েছেন, এটি কোনো আদর্শিক জোট নয়, শুধুমাত্র নির্বাচনী সমঝোতা, এবং নির্বাচনের পরে জোট অব্যাহত থাকবে কি না তা পরে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
