ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোলার চারটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা ২৯ জন প্রার্থীর মধ্যে ২১ জন প্রয়োজনীয় ভোট না পেয়ে জামানত হারিয়েছেন। জাতীয় পার্টি, গণঅধিকার পরিষদ, ইসলামী আন্দোলন, এনডিএম ও স্বতন্ত্র প্রার্থীসহ বিভিন্ন দলের প্রার্থীরা এ তালিকায় রয়েছেন।
শুক্রবার ভোরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে বেসরকারিভাবে ফল ঘোষণা করেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ডা. শামীম রহমান। নির্বাচন কমিশন–এর বিধি অনুযায়ী, মোট প্রদত্ত ভোটের আট ভাগের এক ভাগের কম পেলে প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়।
ভোলা–১ (সদর)
এ আসনে জামানত হারান ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ–এর মোহাম্মদ আশ্রাফ আলী, গণঅধিকার পরিষদ–এর আইনুর রহমান জুয়েল মিয়া, জাতীয় পার্টি–এর মো. আকবর হোসাইন, ন্যাশনাল পিপলস পার্টি–এর মিজানুর রহমান, স্বতন্ত্র রফিকুল ইসলাম এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ–এর মাওলানা ওবায়দুর রহমান।
বিজয়ী হন বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি) চেয়ারম্যান আন্দালিব রহমান পার্থ। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী–এর নজরুল ইসলাম।
ভোলা–2 (দৌলতখান–বোরহানউদ্দিন)
জামানত হারান জাপার জাহাঙ্গীর আলম, স্বতন্ত্র তাছলিমা বেগম ও মহিব্যুল্লাহ খোকন, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি–এর মোকফার উদ্দিন চৌধুরী, আমজনতার দল–এর আলাউদ্দিন এবং জাকির হোসেন খন্দকার।
বিজয়ী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)–এর হাফিজ ইব্রাহিম; প্রতিদ্বন্দ্বী মুফতি ফজলুল করিম।
ভোলা–3 (লালমোহন–তজুমদ্দিন)
জামানত হারান গণঅধিকার পরিষদের আবু তৈয়ব, জাপার কামাল উদ্দিন, ইসলামী আন্দোলনের মোসলেহ উদ্দিন ও স্বতন্ত্র রহমত উল্লাহ।
বিজয়ী হন বিএনপির হাফিজ উদ্দিন আহমেদ। প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি–সমর্থিত নিজামুল হক।
ভোলা–4 (চরফ্যাশন–মনপুরা)
জামানত হারান ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক মুভমেন্ট–এর আবুল কালাম, স্বতন্ত্র মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, আমজনতার দলের জালাল উদ্দীন রুমি, জাপার মিজানুর রহমান এবং ইসলামী আন্দোলনের আবুল মোকাররম কামাল উদ্দিন।
বিজয়ী বিএনপির নুরুল ইসলাম নয়ন; প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মোস্তফা কামাল।
সারসংক্ষেপ: চার আসনেই বড় ব্যবধানে জয়ী প্রার্থীরা নির্ধারিত সীমার অনেক ওপরে ভোট পেয়েছেন, আর উল্লেখযোগ্য সংখ্যক প্রার্থী ন্যূনতম কোটাও ছুঁতে পারেননি। গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটও এগিয়ে ছিল।
