ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) অবকাঠামো ও শিক্ষা পরিবেশ আধুনিকায়নে ২ হাজার ৮৪১ কোটি টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ের বৃহৎ উন্নয়ন প্রকল্পসহ একাধিক উন্নয়ন কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনের মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে এসব প্রকল্পের কার্যক্রম উদ্বোধন করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান।
উদ্বোধিত প্রকল্পগুলোর আওতায় নির্মিত হচ্ছে আর্থ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস এবং ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি অনুষদের জন্য ২১ তলা একাডেমিক ভবন, ১৫ তলা আইটি হাব, তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারীদের আবাসিক ভবন, ৯টি আবাসিক হল, ৬টি একাডেমিক ভবন, কেন্দ্রীয় মসজিদ, ডাকসু ভবন, মেডিক্যাল সেন্টার ও প্রশাসনিক ভবন। পাশাপাশি খেলার মাঠ উন্নয়ন, জিমনেসিয়াম নির্মাণ, জলাধার সংস্কার, অভ্যন্তরীণ সড়ক নেটওয়ার্ক উন্নয়ন এবং পাবলিক টয়লেট নির্মাণের কাজও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
অনুষ্ঠানে উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে ২০২৬ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের গৃহীত ৪১টি উল্লেখযোগ্য কার্যক্রমের সংক্ষিপ্ত বিবরণ তুলে ধরেন।
এ সময় আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নের জবাবে প্রক্টর অধ্যাপক সাইফুদ্দিন আহমদ জানান, ২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থানের সময় শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার অভিযোগে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ৮৩ জন নেতাকে দেওয়া শোকজ নোটিশের জবাব পাওয়া গেছে। এসব জবাব শৃঙ্খলা পরিষদ ও সিন্ডিকেট সভায় উপস্থাপন করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ১৫ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় সংঘটিত সহিংস ও বেআইনি ঘটনার পর গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে প্রথম দফায় ১২৮ শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়। পরবর্তী তদন্তে মোট ৪০৩ শিক্ষার্থীর সংশ্লিষ্টতার তথ্য পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধে স্থায়ী বহিষ্কারের লক্ষ্যে শোকজ নোটিশ জারি করা হয়।
