ইরানের বিক্ষোভকারীদের উদ্দেশে ‘সাহায্য আসছে’ বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে নিজের এই বক্তব্যের প্রকৃত অর্থ কী, সে বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের সরাসরি কোনো ব্যাখ্যা দেননি তিনি। বরং ট্রাম্প বলেন, এর অর্থ সাংবাদিকদেরই খুঁজে বের করতে হবে।
বিক্ষোভ দমনে ইরান সরকারের কঠোর অবস্থানের প্রেক্ষাপটে দেশটির বিরুদ্ধে কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে—সে বিষয়ে ইঙ্গিত দিতে গিয়ে ট্রাম্প বলেন, সম্ভাব্য বিকল্পগুলোর মধ্যে সামরিক পদক্ষেপও বিবেচনায় রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ইরানে নিহতের সংখ্যা ‘অনেক বড়’ হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে, যদিও সুনির্দিষ্ট তথ্য এখনো নিশ্চিত নয়। পরিস্থিতি বিবেচনা করে যুক্তরাষ্ট্র পরবর্তী পদক্ষেপ নেবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রাম্পের ‘সাহায্য আসছে’ পোস্টের প্রতিক্রিয়ায় জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত আমির সাইদ ইরাভানি অভিযোগ করেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট সহিংসতায় উসকানি দিচ্ছেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ট্রাম্প ইরানের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলছেন এবং দেশটির সরকারকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছেন।
ট্রাম্পের বক্তব্যের প্রকৃত তাৎপর্য নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এখনো জল্পনা অব্যাহত রয়েছে।
