বিএনপি প্রধান ও তিনবারের সাবেক সরকারপ্রধান বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক পরিস্থিতি জটিল আকার ধারণ করায় সারাদেশে উৎকণ্ঠা বেড়েছে। গত ২৩ নভেম্বর থেকে ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসকদের নিবিড় তত্ত্বাবধানে রয়েছেন তিনি।
রোববার সকাল থেকে দলের সিনিয়র নেতা, অঙ্গসংগঠনের কর্মী ও সমর্থকদের উপস্থিতিতে হাসপাতাল প্রাঙ্গণে জনসমাগম লক্ষ্য করা গেছে। তবে চিকিৎসকদের নির্দেশনা ও সংক্রমণ–বিষয়ক সতর্কতার কারণে কাউকেই রোগীর কক্ষে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়নি।
খালেদা জিয়ার সর্বশেষ চিকিৎসা–অগ্রগতির খবর জানতে এভারকেয়ারে ছুটে আসেন গাজীপুর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক এ কে এম ফজলুল হক মিলন। তিনি বলেন, স্বাস্থ্য আপডেট দেওয়ার এখতিয়ার কেবল চিকিৎসকের, তাই মন্তব্য করা সমীচীন নয়। তবে আমি এখানে এসেছি নেত্রীর জন্য প্রার্থনা ও কুশল বিনিময়ের অভিপ্রায়ে। মিলনের কণ্ঠে ছিল দেশবাসীর উদ্দেশে দোয়া–আহ্বানের অনুরোধ।
দলীয় প্রধানকে একনজর দেখতে মানিকগঞ্জের সিংড়া থেকে ঢাকায় উপস্থিত হন সিংড়ার সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আবিদুর রহমান খান রোমান। তিনি বলেন, “নেত্রীর সুস্থ প্রত্যাবর্তনই আমাদের প্রত্যাশা। আমরা মহান সৃষ্টিকর্তার কাছে আবেদন করছি, তাকে আরোগ্য দিয়ে ১৮ কোটি মানুষের মাঝে আবার ফিরিয়ে দিন।”
চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, খালেদা জিয়াকে সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং শারীরিক সূচকগুলো গভীর মনোযোগে মূল্যায়ন করা হচ্ছে। তার দ্রুত রোগমুক্তি কামনায় দলীয় কর্মী থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষও একাত্ম হয়ে প্রার্থনা করছেন।
