কিশোরগঞ্জের ছয়টি সংসদীয় আসনের মধ্যে দুটিতে এখনো প্রার্থী ঘোষণা করেনি বিএনপি। ফলে কিশোরগঞ্জ-১ (সদর-হোসেনপুর) ও কিশোরগঞ্জ-৫ (বাজিতপুর-নিকলী) আসনে মনোনয়নপ্রত্যাশী অন্তত ১৬ নেতা তীব্র তৎপরতা চালাচ্ছেন। এর মধ্যে কিশোরগঞ্জ-৫ শরিক দলকে ছেড়ে দেওয়ার আলোচনা রয়েছে।
জামায়াতে ইসলামী প্রায় ৯ মাস আগেই ছয়টি আসনেই প্রার্থী ঘোষণা করেছে এবং মাঠে সক্রিয়। উল্লেখযোগ্যভাবে কিশোরগঞ্জ-৩ (করিমগঞ্জ-তাড়াইল) আসনে জামায়াতের প্রার্থী সাবেক রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের শ্যালক কর্নেল (অব.) জেহাদ খান।
আসনভিত্তিক চিত্র
- কিশোরগঞ্জ-১: বিএনপি এখনো প্রার্থী ঘোষণা করেনি। মনোনয়নপ্রত্যাশী রেজাউল করিম খান, মাজহারুল ইসলাম, ওয়ালীউল্লাহ রাব্বানী, মাসুদ হিলালীসহ ৮ নেতা সক্রিয়। জামায়াতের প্রার্থী মোসাদ্দেক আলী ভূঁইয়া।
- কিশোরগঞ্জ-২: বিএনপির প্রার্থী পাকুন্দিয়া উপজেলা আহ্বায়ক ও পিপি জালাল উদ্দীন। জামায়াতের প্রার্থী তরুণ নেতা শফিকুল ইসলাম মোড়ল।
- কিশোরগঞ্জ-৩: বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী এম ওসমান ফারুক মনোনয়ন পেয়েছেন। জামায়াতের প্রার্থী সাবেক রাষ্ট্রপতি হামিদের শ্যালক কর্নেল (অব.) জেহাদ খান।
- কিশোরগঞ্জ-৪: বিএনপির প্রার্থী আইনজীবী মো. ফজলুর রহমান। প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন আব্দুর রহিম মোল্লা। জামায়াতের প্রার্থী শেখ রোকন রেজা।
- কিশোরগঞ্জ-৫: বিএনপি প্রার্থী ঘোষণা করেনি। শরিকদের মধ্যে হাসনাত কাইয়ুম ও সৈয়দ এহসানুল হুদার নাম আলোচনায়। জামায়াতের প্রার্থী জেলা আমির রমজান আলী।
- কিশোরগঞ্জ-৬: বিএনপির প্রার্থী কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শরীফুল আলম (পঞ্চমবার)। জামায়াতের প্রার্থী ভৈরব আমির কবির হোসাইন।
এছাড়া এনসিপি, গণ অধিকার পরিষদ, ইসলামী আন্দোলন, খেলাফত মজলিস, সিপিবি ও গণসংহতি আন্দোলনের নেতারাও বিভিন্ন আসনে প্রচার চালাচ্ছেন।
আজকের খবর/ এম.এস.এইচ.
