অস্ট্রেলিয়ার সিডনি নগরের আকাশপথে উড্ডয়নরত দুই প্রশিক্ষণধর্মী হালকা উড়োজাহাজের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে, যার জেরে একটি বিমান পার্শ্ববর্তী বনাঞ্চলে আছড়ে পড়ে। দুর্ঘটনায় ওই বিমানের একমাত্র চালক ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান। রোববার স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তথ্যের ভিত্তিতে এই হতাহতের খবর নিশ্চিত হয়।
পুলিশ জানায়, নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্যের ওয়েডারবার্ন এলাকার বিমানঘাঁটির কাছের গভীর জঙ্গলে বিধ্বস্ত বিমানের ছিন্নভিন্ন অংশ উদ্ধারকারীদের নজরে আসে। পরে সেখান থেকেই নিহত পাইলটের দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শুরু করা হয়।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিবৃতিতে বলা হয়, “আকাশে সমন্বিত দলগত (ফরমেশন ফ্লাইট) উড্ডয়নের সময় দুটি বিমান আকস্মিকভাবে একে অপরের সঙ্গে ধাক্কা খায়। সংঘর্ষ–পরবর্তী পরিস্থিতিতে একটি বিমান অনিয়ন্ত্রিত হয়ে পাশের অরণ্যভূমিতে পতিত হয়।”
অন্যদিকে, দ্বিতীয় বিমানটি দুর্ঘটনার পরও নিরাপদে রানওয়েতে প্রত্যাবর্তন করতে সক্ষম হয় এবং এর পাইলট কোনো শারীরিক আঘাত ছাড়াই অক্ষত আছেন।
দুর্ঘটনাকবলিত এই বিমানদুটি ছিল এক ইঞ্জিন–বিশিষ্ট, দ্বি-আসনের ‘ভ্যানস আরভি–৭’ মডেলের। অস্ট্রেলিয়া পরিবহন নিরাপত্তা তদারকি ব্যুরো (এটিএসবি) জানিয়েছে, চার বিমানের যৌথ দলগত ফ্লাইট শেষে অবতরণের পথে ফেরার সময়ই এই সংঘর্ষ ঘটে। ঘটনা তদন্তে তারা ইতোমধ্যে আনুষ্ঠানিক অনুসন্ধান শুরু করেছে।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই ধরনের বিমানচালনা অনুশীলনে আকাশ নিরাপত্তা–ব্যবস্থা আরও জোরদারের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
