ইরান ও লেবানন থেকে আসা হামলার আশঙ্কায় লাখো ইসরায়েলি নাগরিককে আশ্রয়কেন্দ্রে ছুটে গিয়ে প্রায় নির্ঘুম রাত কাটাতে হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে বাড়ি থেকে বের হয়ে আশ্রয়কেন্দ্রে পৌঁছানোর জন্য তাদের হাতে খুব কম সময় ছিল বলে জানা গেছে।
বিশ্লেষকদের ধারণা, ইরানের ধারাবাহিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার কারণে ইসরায়েলের রাডার ব্যবস্থা কিছুটা ব্যাহত হয়েছে। এতে আগাম সতর্কবার্তা দেওয়ার সক্ষমতা কমে যেতে পারে, ফলে কখন ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হচ্ছে তা আগে থেকে বুঝতে আরও কঠিন হয়ে পড়ছে।
রাতভর শুধু ইরান থেকেই অন্তত ছয়বার ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে বলে জানা গেছে। এর পাশাপাশি লেবানন থেকেও বিভিন্ন ধরনের হুমকি তৈরি হয়েছে, যার মধ্যে ড্রোন হামলার ঘটনাও রয়েছে। কিছু ড্রোন ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেদ করে দেশের ভেতরের গভীর এলাকায় পৌঁছে গেছে বলেও দাবি করা হয়েছে।
ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ নতুন ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ে সতর্কতা জারি করেছে। বিশেষ করে এমন কিছু ক্ষেপণাস্ত্রের কথা বলা হচ্ছে, যেগুলোর বিস্ফোরণের সময় ভেতরের অংশগুলো ছড়িয়ে পড়ে এবং বড় এলাকা জুড়ে ক্ষয়ক্ষতি ঘটাতে পারে।
এদিকে ইসরায়েলের দাবি, লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ নতুন দীর্ঘপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করেছে। দুই দিন আগে এর একটি জেরুজালেমের কাছাকাছি বেইত শেমেশ এলাকায় আঘাত হানে বলে জানা গেছে। সেখানে ইসরায়েলের বেশ কিছু সামরিক স্থাপনা রয়েছে, যা দেশটির জনগণের মধ্যে উদ্বেগ বাড়িয়ে দিয়েছে।
