নির্বাচিত সরকারের সঙ্গে আলোচনা করেই আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) ঋণের ষষ্ঠ কিস্তি ছাড় দেবে বলে জানিয়েছেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। তিনি আরও জানান, সরকারি কর্মচারীদের নতুন পে কমিশনের সিদ্ধান্তও আগামী সরকার নেবে।
রোববার সচিবালয়ে ক্রয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।
২০২৩ সালে বাংলাদেশের জন্য আইএমএফ ৪৭০ কোটি ডলারের ঋণ অনুমোদন করে। পরবর্তীতে চতুর্থ ও পঞ্চম কিস্তি অনুমোদনের মাধ্যমে ঋণের পরিমাণ বেড়ে দাঁড়ায় ৫৫০ কোটি ডলারে। এ পর্যন্ত বাংলাদেশ পেয়েছে ৩৬০ কোটি ডলার।
অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে ষষ্ঠ কিস্তি ছাড় হবে কি না জানতে চাইলে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, “আগামী ফেব্রুয়ারিতে নতুন মিশন এলে নির্বাচিত সরকার কতটা ঋণ চায়, তা নিয়েই আলোচনা হবে। এরপরই সিদ্ধান্ত হবে।”
তিনি বলেন, “আইএমএফ জানিয়েছে—বাংলাদেশের সার্বিক অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে তারা সন্তুষ্ট। রাজস্ব আয় বাড়ানোসহ কিছু সুপারিশ আমরা বিবেচনায় নিয়েছি। শিগগিরই তাদের টিম আসবে, রিপোর্ট পর্যালোচনা করবে, তারপর ঋণ ছাড়ের প্রক্রিয়া শুরু হবে।”
মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমেছে জানিয়ে ড. সালেহউদ্দিন বলেন, “পে কমিশনের বিষয়ে প্রস্তাব এসেছে, তবে এ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে পরবর্তী সরকার।
তিনি আরও জানান, আইএমএফের ঋণ, সংস্কার ও শর্তাবলির পূর্ণাঙ্গ ধারণা পরবর্তী সরকারের হাতে তুলে দেওয়া হবে, যাতে তারা সহজেই পরবর্তী আলোচনায় যেতে পারে।
আজকের খবর/ এম. এস. এইচ.
