সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরাহ তেল স্থাপনায় হামলার ঘটনায় বড় ধরনের আগুন লাগলেও তা নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এ ঘটনায় আহত তিন ভারতীয় নাগরিককে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই হামলাটি কেবল একটি সামরিক পদক্ষেপ নয়, বরং কৌশলগত বার্তা দেওয়ার প্রচেষ্টা। কারণ ফুজাইরাহ অঞ্চলটি দেশটির জ্বালানি খাতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এখানেই রয়েছে হাবশান-ফুজাইরাহ তেল পাইপলাইন, যার মাধ্যমে আমিরাতের প্রায় ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ তেল রপ্তানি হয়।
গালফ অব ওমানের উপকূলে অবস্থিত হওয়ায় এই রুট দিয়ে তেল পরিবহন করতে হরমুজ প্রণালির ওপর নির্ভর করতে হয় না। ফলে এই স্থাপনাকে লক্ষ্যবস্তু করা হলে বিকল্প জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থাও ঝুঁকির মুখে পড়ে।
বিশ্লেষকদের ধারণা, এই হামলার মাধ্যমে ইরান পরোক্ষভাবে বার্তা দিতে চেয়েছে—হরমুজ প্রণালি এড়িয়ে গেলেও আমিরাতের গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক অবকাঠামো তাদের আঘাতের বাইরে নয়।
তবে এই হামলার দায় ইরান সরকার এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকার বা অস্বীকার করেনি। দেশটির ভেতর থেকেও এ বিষয়ে পরস্পরবিরোধী বক্তব্য পাওয়া যাচ্ছে।
এ ঘটনার পর মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
