যুক্তরাষ্ট্র-ইরান ইস্যুতে সম্ভাব্য নতুন আলোচনাকে সামনে রেখে ইসলামাবাদে জোর প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক পরিষ্কার করা, বিভিন্ন স্থানে ফুল দিয়ে সাজানো এবং জনপরিবহন আংশিক বন্ধ রাখাসহ নানা পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
আসন্ন এই বৈঠক ঘিরে প্রায় ২০ হাজার নিরাপত্তা সদস্য—পুলিশ, সেনাবাহিনী ও আধাসামরিক বাহিনী—মোতায়েন করা হচ্ছে বলে জানা গেছে। যদিও প্রতিনিধিদল ঠিক কবে পৌঁছাবে, সে বিষয়ে এখনো নির্দিষ্ট তারিখ ঘোষণা করা হয়নি।
এদিকে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির সম্প্রতি তিন দিনের ইরান সফর শেষ করে দেশে ফিরেছেন। সফরকালে তিনি ইরানের প্রেসিডেন্ট, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং পার্লামেন্টের স্পিকারের সঙ্গে বৈঠক করেন। আলোচনায় তিনি আঞ্চলিক শান্তি ও নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনতে ধারাবাহিক সংলাপের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
অন্যদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পাকিস্তানের নেতৃত্বের প্রশংসা করেছে ট্রাম্প প্রশাসন, যা এই কূটনৈতিক উদ্যোগে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ইসলামাবাদকে ঘিরে এখন আন্তর্জাতিক দৃষ্টি নিবদ্ধ রয়েছে। যদিও বিভিন্ন বিষয়ে পক্ষগুলোর মধ্যে মতপার্থক্য এখনো রয়ে গেছে, তবুও চলমান কূটনৈতিক তৎপরতা থেকে কোনো ধরনের অগ্রগতির আশা তৈরি হয়েছে।
উল্লেখ্য, পাকিস্তান, সৌদি আরব, তুরস্ক ও মিশরের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের নিয়ে গঠিত একটি চারদেশীয় প্ল্যাটফর্মও এ প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। রিয়াদে গঠিত এই জোট পরবর্তীতে ইসলামাবাদ ও তুরস্কের আনতালিয়ায় বৈঠক করেছে, যেখানে আঞ্চলিক সংকট সমাধানে সমন্বিত পদক্ষেপের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
