চট্টগ্রাম নগরীর ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম বাকলিয়া রসুলবাগ আবাসিক এলাকার খালপাড়, বায়তুল মামুর জামে মসজিদ ও কবরস্থানের সামনে অবস্থিত দীর্ঘদিনের অস্বাস্থ্যকর ময়লার ডাস্টবিন ও কুকুরের উৎপাত নিয়ে সংবাদ ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বারবার প্রতিবেদন প্রকাশ করায় হুমকি ও অশ্রাব্য গালিগালাজের শিকার হয়েছেন গণমাধ্যমকর্মী ইসমাইল ইমন। তিনি চট্টগ্রাম বিভাগীয় ব্যুরো প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ—বাড়ি, মসজিদ ও কবরস্থানের গেটের সামনে ডাস্টবিন থাকায় এলাকাজুড়ে দূর্গন্ধ ছড়িয়ে পরিবেশ মারাত্মকভাবে দূষিত হয়ে পড়েছিল। মুসল্লি, নারী-শিশু ও শিক্ষার্থীদের প্রতিদিনই এই অস্বাস্থ্যকর পরিস্থিতিতে চলাচল করতে হচ্ছিল। এ বিষয়ে চসিক মেয়র ও প্রধান পরিচ্ছন্নতা কর্মকর্তাকে জানানো হলে মেয়র সরেজমিনে পরিদর্শন করে জরুরি ভিত্তিতে ডাস্টবিন অপসারণের নির্দেশ দেন।
চসিকের নির্দেশনার পরও পরে আবার ওই স্থানে আবর্জনা ফেলা শুরু হলে এলাকাবাসী পুনরায় অভিযোগ করেন।
এরই ধারাবাহিকতায় ১৬ নভেম্বর, রবিবার—চসিক পরিচ্ছন্নতা কর্মকর্তা, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, নগর বিএনপির সাবেক স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ও ড্যাব মহাসচিব ডা. সরোয়ার আলম এবং মেয়রের একান্ত সচিব মারুফুল হক চৌধুরী এলাকাটি পরিদর্শনে যান। এসময় ঘটনাস্থলে ভিডিও ধারণ করছিলেন সাংবাদিক ইসমাইল ইমন।
তখন হঠাৎ রসুলবাগ সমাজ কল্যাণ পরিষদের সভাপতি আসাদ উল্লাহ তাকে হুমকি দেন এবং অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করেন বলে অভিযোগ ওঠে।
ঘটনাটি ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও সংবাদকর্মীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
