গতকাল শুক্রবার মানিকগঞ্জের বাঘুটিয়া ইউনিয়নে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের প্রতিবাদে এলাকাবাসী একত্রিত হয়ে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাঘুটিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ গোলাম ইয়াছিন, বাঘুটিয়া আলিম মাদ্রাসার সাবেক সুপার মাওলানা তাজুল ইসলাম এবং ইউনিয়নের সকল ইউপি সদস্যরা।
জানা গেছে, সাম্প্রতিক বন্যায় বাঘুটিয়া ইউনিয়নে বাজারসহ অর্ধশতাধিক ঘরবাড়ি নদীতে বিলীন হয়েছে। ভাঙ্গনের ঝুঁকিতে রয়েছে চারতলা ভবনের দুটি মাদ্রাসা সহ কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। ইতোমধ্যে বাচামারা ইউনিয়নের নিজ ভারাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তিনতলা ভবন যমুনা নদীর গর্ভে বিলীন হয়েছে, যা অবৈধ বালু উত্তোলনের ফলে হয়েছে।
দৌলতপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাহিয়ান নুরেন জানান, বালু উত্তোলনের জন্য শুধুমাত্র যে জায়গাগুলো ইজারা দেওয়া হয়েছে, সেখানেই বালু কাটার অনুমতি রয়েছে, অন্য কোথাও নয়। বিষয়টি তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে।
মানিকগঞ্জ জেলা প্রশাসক ড. মানোয়ার হোসেন মোল্লা বলেন, বালু মহালের সীমানার বাইরে গিয়ে ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে, যা সম্পূর্ণ অবৈধ। এর বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান ও মামলা দায়ের করা হচ্ছে। সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে এবং এ অভিযান অব্যাহত থাকবে। ভবিষ্যতেও আরও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তবে এলাকাবাসী জানান, প্রশাসনের ঘোষণা কাগজে যত কঠোরই হোক, বাস্তবে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ হয়নি।
উল্লেখ্য, ৭ মে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে বালু উত্তোলনের ইজারা ঘোষণা করার সময় ইজারাদারদের সতর্ক করা হয় যে, যারা ইজারার শর্ত ভঙ্গ করবে তাদের ইজারা বাতিল করা হবে।
আজকের খবর/ এম. এস. এইচ.
