ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে যুদ্ধবিরতি এখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পেরও প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ফোয়াদ ইজাদি।
আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ইরানের নেতৃত্বে বিভাজন তৈরি হয়েছে—ট্রাম্পের এমন দাবি এখনো নিশ্চিত নয়। বিভিন্ন অনিশ্চিত প্রতিবেদন ও আনুষ্ঠানিক বক্তব্যের মধ্যে তুলনা করে বিভ্রান্তিকর উপসংহার টানা হতে পারে।
ফোয়াদ ইজাদি বলেন, ট্রাম্পের জন্য এই যুদ্ধবিরতি রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, আগামী সপ্তাহেই যুক্তরাষ্ট্রের ‘ওয়ার পাওয়ারস অ্যাক্ট’-এর ৬০ দিনের সময়সীমা শেষ হচ্ছে। এর আগে প্রতিনিধি পরিষদে এই যুদ্ধ নিয়ে ভোটাভুটিতে খুব অল্প ব্যবধানে প্রস্তাব পাস হয়েছিল।
তার মতে, আগামী সপ্তাহে যদি যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সরাসরি সামরিক সংঘর্ষ শুরু হয়, তাহলে প্রতিনিধি পরিষদ যুদ্ধের বিপক্ষে ভোট দিতে পারে—এমন বাস্তব সম্ভাবনা রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ট্রাম্প বর্তমানে বড় ধরনের অর্থনৈতিক চাপের মধ্যেও রয়েছেন। বিশেষ করে বৈশ্বিক তেল সংকট সামাল দেওয়ার চেষ্টা করছে তার প্রশাসন। ফলে নতুন যুদ্ধ পরিস্থিতি অর্থনীতি ও জ্বালানি বাজারকে আরও অস্থিতিশীল করে তুলতে পারে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই বাস্তবতায় ট্রাম্প প্রশাসন একদিকে ইরানের ওপর চাপ বজায় রাখছে, অন্যদিকে কূটনৈতিক সমাধানের পথও খোলা রাখতে চাইছে।
