ভোটাধিকার গণতন্ত্রের অন্যতম ভিত্তি হলেও জালিয়াতি করলে দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। অন্যের পরিচয়ে ভোট দেওয়া, একাধিকবার ভোট দেওয়া, ভুয়া পরিচয়পত্র ব্যবহার, ভোটকেন্দ্রে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি বা এ ধরনের কাজে সহায়তা—সবই শাস্তিযোগ্য।
নির্বাচনী আইন অনুযায়ী জাল ভোটে দোষী প্রমাণিত হলে কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড বা উভয়ই হতে পারে। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২-এর ৭৩–৮৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ভোটকেন্দ্রে বেআইনি আচরণের জন্য সর্বোচ্চ সাত বছরের কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে। অনধিকার প্রবেশ করলে হতে পারে সর্বোচ্চ ছয় মাসের কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা।
নির্বাচন কমিশন (ইসি) জানিয়েছে, জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করা হবে এবং যে কোনো অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাৎক্ষণিক মামলা, গ্রেপ্তার ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও সংবিধান সংশোধন সংক্রান্ত গণভোট আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে।
