ভয়ভীতি ও নানা আশঙ্কার মধ্যেই অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে কুমিল্লা আইনজীবী সমিতির নির্বাচন। তবে আইনজীবীদের প্রত্যাশা—একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ। কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বা মব সৃষ্টি করে কেউ সফল হতে পারবে না বলেও মনে করছেন আইনজীবীদের একাংশ।
রবিবার (২৯ মার্চ) কুমিল্লা আইনজীবী সমিতি প্রাঙ্গণে গিয়ে বিভিন্ন আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে।
সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট খন্দকার মিজানুর রহমান বলেন, নির্বাচন ঘিরে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। কোনো সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে—এমন আশঙ্কা করছি না। আমরা একটি সুষ্ঠু নির্বাচন প্রত্যাশা করছি।
জানা গেছে, এবারের নির্বাচনে তিনটি প্যানেলে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হচ্ছে। এর মধ্যে একটি প্যানেল অঘোষিত রয়েছে, যার সদস্যরা নিজেদের পরিচয় প্রকাশে অনিচ্ছুক।
নির্বাচনের তফসিল অনুযায়ী, আগামী ২ এপ্রিল সকাল ৯টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে দুপুরে বিরতির পর বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলবে। ১ এপ্রিল দুপুর ১টার পর সব ধরনের নির্বাচনী প্রচারণা বন্ধ থাকবে। শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হলে ৩ এপ্রিল ফলাফল ঘোষণা করা হবে।
নির্বাচনে জাতীয়বাদী আইনজীবী ঐক্য পরিষদ (জামায়াত-বিএনপি সমর্থিত) প্যানেল থেকে সভাপতি পদে অ্যাডভোকেট মোঃ শহীদুল্লাহ এবং সাধারণ সম্পাদক পদে মোঃ মাহাবুবুল হক খন্দকার প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
অন্যদিকে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী পরিষদ (বিএনপি সমর্থিত) প্যানেল থেকে সভাপতি পদে অ্যাডভোকেট ইউসুফ আলী এবং সাধারণ সম্পাদক পদে অ্যাডভোকেট তৌফিক আহম্মদ চৌধুরী (আকাশ) প্রার্থী হয়েছেন।
এছাড়াও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে সভাপতি পদে অ্যাডভোকেট গোলাম ফারুক এবং সাধারণ সম্পাদক পদে নেয়ামত উল্লাহ জামান নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন।
জাতীয়বাদী আইনজীবী ঐক্য পরিষদ প্যানেলের সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী মাহাবুবুল হক খন্দকার বলেন, তিনি শতভাগ আশাবাদী—নির্বাচন সুষ্ঠু হবে এবং কোনো ধরনের সমস্যা হবে না।
অন্যদিকে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী পরিষদ প্যানেলের সভাপতি প্রার্থী ইউসুফ আলী বলেন, তারা একটি গ্রহণযোগ্য ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন চান। আইনজীবীরা যেন নির্ভয়ে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন—সেটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
