অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, সরকার দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র এক মাসের মধ্যেই নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করে দেখিয়েছে—সঠিক নেতৃত্ব থাকলে যেকোনো উদ্যোগ সফল করা সম্ভব। তিনি জানান, ফ্যামিলি কার্ড একটি স্মার্ট কার্ড হিসেবে চালু করা হয়েছে এবং ভবিষ্যতে বিভিন্ন জাতীয় সুযোগ-সুবিধা এই কার্ডের মাধ্যমেই প্রদান করা হবে। পাশাপাশি কৃষকদের কল্যাণে ১২ হাজার কোটি টাকার ঋণ মওকুফ, বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা এবং কৃষি কার্ডসহ বিভিন্ন জনমুখী কর্মসূচি চালু রাখা হবে।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) চট্টগ্রাম নগরের পতেঙ্গা এয়ারপোর্ট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। কর্মসূচির প্রথম ধাপে চট্টগ্রাম নগরের ৫ হাজার ৫৭৫ জন নারীর হাতে ফ্যামিলি কার্ড তুলে দেওয়া হয়।
অর্থমন্ত্রী বলেন, সীমিত সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যেই সরকার এই উদ্যোগ নিয়েছে। ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে কোনো ধরনের দলীয়করণের সুযোগ রাখা হয়নি। সরকারি কর্মকর্তারা স্বাধীনভাবে যাচাই-বাছাই করে প্রকৃত হতদরিদ্র পরিবারগুলোকে চিহ্নিত করেছেন।
তিনি আরও বলেন, দেশের ভবিষ্যৎ উন্নয়নের জন্য পরিবারের নারী প্রধানকে অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী করা জরুরি। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত পরিবারের সব দায়িত্ব পালন করলেও নারীদের এই অবদানের যথাযথ স্বীকৃতি আগে দেওয়া হয়নি।
আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, তারেক রহমান ঘোষিত ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির মাধ্যমে পিছিয়ে পড়া পরিবারগুলোকে সহায়তা দেওয়ার লক্ষ্যে গৃহকর্ত্রীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। এই প্রকল্পের আওতায় প্রতিটি পরিবারের নারী প্রধানের ব্যাংক বা মোবাইল অ্যাকাউন্টে সরাসরি ২ হাজার ৫০০ টাকা পাঠানো হবে, যা তাদের আর্থিক সক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক হবে।
চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন এবং চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান।
