ইরান-ইসরায়েল সংঘাতের জেরে মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিরতায় বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেল সরবরাহে বিঘ্ন ও দাম বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এর প্রভাবে বাংলাদেশেও 'প্যানিক বাইং' বা আতঙ্কিত হয়ে অতিরিক্ত তেল কেনার প্রবণতা দেখা দিয়েছে, যদিও সরকার বলছে পর্যাপ্ত মজুদ আছে।
এদিকে কুমিল্লার অধিকাংশ পেট্রোল পাম্প ঘুরে দেখা যায় কোন পাম্পে তেল আছে আবার কোন পাম্পে তেল নেই, দেশে প্রকৃত ঘাটতি না থাকলেও, ঘাটতির গুজবে ফিলিং স্টেশনগুলোতে দীর্ঘ লাইন এবং একই ব্যক্তি দুই থেকে তিনবার তেল ক্রয় করেছে এমনও চিত্র দেখা গেছে।
বৈশ্বিক অস্থিরতার কারণে দেখিয়ে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর চেষ্টা চালাচ্ছে সিন্ডিকেট এমনটাই অভিযোগ করছেন ভোক্তারা।
সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী মোটরসাইকেল ২ লিটার, কার ১০ লিটার) তেল ক্রয়ের সীমা নির্ধারণ করেছে। কিন্তু তেল কেনার সময় ক্রয়ের রশিদ দেখাতে হবে এবং পূর্বের ক্রয়ের রশিদ জমা দিতে দেখা যায়নি কোন পাম্পে।
এদিকে পাম্পের মালিকেরা বলছেন সরকার আশ্বাস দিয়েছে যে দেশে জ্বালানির পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে এবং আতঙ্কিত না হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। সেক্ষেত্রে সকলে সচেতন হলে জ্বালানি তেলের মূল্য এবং সরবরাহ স্থিতিশীল থাকবে।
