এপেক্স বাংলাদেশের জাতীয় বোর্ডের নির্বাচনে এসে এপেক্সিয়ানদের প্রতিবাদের মুখে পড়েন হাইকোর্টের বিচারপতি ও এপেক্স ক্লাব অব বগুড়ার সাবেক সদস্য আব্দুল মান্নান। প্রতিবাদের মুখে তিনি অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করেন। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) কুমিল্লা সেন্ট্রাল মেডিক্যাল কলেজ অডিটোরিয়ামে এই ঘটনা ঘটে।
সূত্র জানায়, এপেক্স বাংলাদেশের জাতীয় বোর্ডের ৫টি ডিরেক্টর পদের নির্বাচন ও প্রেসিডেন্ট- সেক্রেটারি কনফারেন্স আয়োজন করা হয়। এ অনুষ্ঠান আয়োজন স্থগিত করতে ঢাকার নিম্ন আদালতের সমন নিয়ে পুলিশসহ কুমিল্লার ভেন্যুতে হাজির হন হাইকোর্টের বিচারপতি আব্দুল মান্নান। তিনি অনুষ্ঠানস্থলে প্রবেশ করে অনুষ্ঠান বন্ধ করার জন্য নির্বাচন কমিশনকে নির্দেশ প্রদান করেন। এসময় নির্বাচন কমিশনের সদস্যরা তাকে জানান, ঢাকা কোর্টের কোন আদেশ আমরা পাইনি। তখন তিনি বলেন- আদেশ আমি নিয়ে এসেছি। এনিয়ে বাদানুবাদে একপর্যায়ে অনুষ্ঠানস্থলে হট্টগোল শুরু হয়। এক পর্যায়ে প্রতিবাদের মুখে পুলিশসহ অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করেন বিচারপতি আব্দুল মান্নান।
নির্বাচন কমিশনের সদস্য এপেক্সিয়ান ডা. মুজিবুর রহমান জানান, দেড় মাস পূর্বে নির্ধারিত এই প্রোগ্রাম কুমিল্লায় শুক্রবার আয়োজন করা হয়, অথচ মামলা নাকি ঢাকার কোর্টে হয়েছে। ঢাকার আদালত যদি জুরিডিকশনের বাইরে গিয়ে কোন আদেশ দেয়, নিয়মানুযায়ী সে আদালতের আদেশ আমরা হাতে পেতাম, তাহলে অবশ্যই নির্বাচন স্থগিত করা হতো।
কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সিরাজুল মোস্তফা জানান, বিচারপতি এপেক্স ক্লাবের অনুষ্ঠানে প্রবেশ করলে হট্টগোল শুরু হয়। পরে তিনি সমাবেশস্থল ত্যাগ করেন।
বিচারক আব্দুল মান্নান বলেন,এটা নিয়ে গ্রুপিং রয়েছে। আমি অনুষ্ঠানে গিয়ে জানিয়েছি এই আয়োজন নিয়ে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। তারা বলেছেন নিষেধাজ্ঞা পাননি। আমাকে মঞ্চে বসতে বলেছেন, তবে না বসে আমি চলে এসেছি।
উল্লেখ্য, এপেক্স বাংলাদেশের জাতীয় বোর্ডের কর্মকর্তা নির্বাচন নিয়ে গত দু’মাস যাবত সংগঠনে বিরোধ চলছে। এনিয়ে ঢাকার আদালতে একাধিক মামলা চলছে।
